Home ছোট গল্প নষ্ট বউ

নষ্ট বউ

প্রথম পর্ব

এই ছাড়ো ছাড়োনা প্লিজ
আর কত
উফফফ আমি আর পারছিনা (রিমি)
আমি/ এইতো জানু হয়ে গেছে
রিমি/ তোমাকে নিয়ে আমি আর পারিনা
দুষ্টু কোথাকার
একটু পরে রিমিকে ছেড়ে দিলাম
কপালে একটা চুমু খেয়ে বললাম
আমি/ উম্মা জানু তুমি না সত্যি অনেক
লক্ষী একটা মেয়ে
তাইতো তোমাকে আমি এত ভালোবাসি
একটু আগে আমি রিমির সারা শরীর ছুঁয়ে
দেখেছি
তৃষ্ণা মেটালাম তার দেহ দিয়ে
মেয়েটা আমাকে বড্ড বেশি ভালোবাসে
তাই যখন যা চাই তাই পাই
বিয়ের লোভ দেখিয়ে আজ তাকে রাজি
করিয়েছি
কিন্তু সে তো আর জানেনা
আমার তাকে নয় তার দেহটা ছিলো
প্রয়োজন
আজ আমার সেটাও পূরণ হয়েছে
তাই রিমিকেও আমার আর দরকার নেই
কিন্তু হুট করে সম্পর্ক শেষ করা যাবেনা
আরও কিছুদিন রিমির থেকে মজা নেই
তারপর ছেড়ে দিবো
রিমি/ আচ্ছা আমরা আর কতদিন এভাবে
সবার চোখের আড়ালে লুকিয়ে বেড়াবো
আমার না খুব ভয় হচ্ছে
তুমি দু-একদিনের মধ্যে বিয়ের প্রস্তাব
পাঠাও বাড়িতে
তখন আর লুকিয়ে লুকিয়ে আমাদের দেখা
করতে হবেনা
আমি/ বিয়ে এখন
সোনা আর কিছুদিন অপেক্ষা করো
চাকরিটা হোক তারপর তোমার বাবার
সামনে যোগ্য পাত্র হয়ে দাঁড়াবো
প্লিজ সোনা আর কিছুদিন অপেক্ষা করো
আর আমরা এমনিতেই তো অনেক ভালো
আছি তাইনা
তোমাকে তো আমি বিয়ে করবো কিন্তু
আমাকে একটু সময় দাও নিজের পাঁয়ে
দাঁড়াতে
আমারও তো ইচ্ছে হয় তোমাকে নিজের
করে নিতে সবসময় আমার পাশে পাশে
রাখতে
আমার এমন মিথ্যে মায়া জালের কথা শুনে
রিমি আরও দুর্বল হয়ে গেছে
রিমি/ ঠিক আছে দিলাম সময়
তবে বেশিদিন নয়
আমি/ উফফফ তুমি এখনও শুয়ে আছো উঠো
উঠো
জামাটা পড়ে নাও দেরি হয়ে যাচ্ছে
বুঝতে পারছি রিমির একটু কষ্ট হচ্ছে
তারপরও এখানে তো আর রাত কাটানো
যাবেনা
আমি/ উঠো সোনা অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে
তোমার
রিমি উঠতে উঠতে একটা মিষ্টি হাঁসি
দিয়ে বলতে লাগলো
রিমি/ হোক সময় তাতে কি
স্বামীর সাথে আছি
আমি মনে মনে বলি স্বামী হা হা হা তোর
মত একটা নষ্টা মেয়েকে কে করবে বিয়ে
আমিতো জীবনেও না
একটা সিগারেট ধরালাম
রিমি মুখ থেকে টেনে বলে
রিমি/ এই তোমাকে না বললাম
এই বাজে অভ্যাসটা ছেড়ে দিতে
আমি বুঝিনা যেটা পিঁপড়া খায়না সেটার
জন্য তোমরা কেন পাগল
সিগারেটের মত একদিন তুইও জ্বলবি একটু
অপেক্ষা
রিমি/ কি বলো গুন গুন করে
আমি/ কই না তো কিছুনা
চলো যাওয়া যাক
রিমি/ হুমমমম চলো
দুজনে বেরিয়ে পড়লাম
রিমি/ খুব ক্ষুধা লাগছে চলো কিছু খেয়ে
নিই
আমি/ হুমমমম চলো
আমাকে যখন এতটা সুখ দিনে তখন আর
৫০০-১০০০ এক হাজার টাকার দিকে তাকিয়ে
কি হবে
হাল্কা পাতলা কিছু নাস্তা করে রিমিকে
একটা রিক্সায় তুলে
দিলাম
রিমি/ বাই
আমি/ বাই
আমিও আর বাসায় চলে যাই
অনেক তো হলো
বাসায় ঢুকতে আম্মু ডাক দিলো
আম্মু/ ধ্রুব
আমি/ হুমমমম
আম্মু/ এদিকে আয়
আম্মুর পাশে যেতে আম্মু কয়েকটা মেয়ের
ছবি দিয়ে বললো
আম্মু/ দেখতো কাকে তোর ভালো লাগে
যাকে ওভালের লাগবে তার সাথে তোর
বিয়ে দিবো
আমি/ ওহহহ আম্মু এসব আমার দেখা
লাগবেনা
তোমরা দেখ তোমরা পছন্দ করো
যাকে তোমাদের পছন্দ হবে আমি তাকে
বিয়ে করবো
আমি কি আর তোমাদের অবাধ্য হতে পারি
ছেলের মুখে এমন কথা শুনলে সব মা বাবার-
ই মুখে হাঁসি ফুটে
সেই খুশিতে আমার আম্মুও বলতে লাগলো
আম্মু/পাগল ছেলে একটা
এতক্ষণ কোথায় ছিলি
আমি/ না বন্ধুদের সাথে একটা ঘোরাঘুরি
করছিলাম
আম্মু/ হুমমমম সারাদিন ঘোরাঘুরি করলে
দিন কাটবে
রাখ বন্ধ করবো তোর এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি
আম্মু সব ছবি গুলো দেখতে লাগলো
কিন্তু একটা ছবি বার বার নিয়ে দেখতে
লাগলো
বুঝতে পারছি এই মেয়েটাকে আম্মুর পছন্দ
হয়েছে
ছবিটা হাতে নিয়ে বললাম
আমি/ বাহ্ দারুনতো মেয়েটা
আম্মু/ তোর পছন্দ হয়েছে
আমি মাথা দিয়ে উত্তর দিলাম
আম্মু/ ঠিক আছে এই মেয়েটাকে তোর বউ
করে ঘরে তুলবো
খুশি মনে ঘরে ঢুকলাম
হঠাৎ মাথায় আসলো রিমির কথা
রিমিকে কিভাবে বোঝাবো
ভাবছি আর ভাবছি না থাক এখন কিছু বলা
যাবেনা
সময়মত সব ঠিক করে নিবো
যদি কোন বাড়াবাড়ি করতে যায় সবকিছু
ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখাবো
তখন হয়তো লোক লজ্জার ভয়ে চুপ থাকবে
ভাবতে না ভাবতে রিমির ম্যাসেজ
রিমি/ জানু কি কর
ম্যাসেজটা দেখে আমি তাকে কল দিলাম
আমি/ এই তুমি আমাকে জানু বাবু বলে যখন
তখন এভাবে বিরক্ত করবেনা
রিমি/ কি হয়েছে তোমার
এমনভাবে কথা বলছো কেন
আমি/ তো কিভাবে বলবো
আর শোন এখন আমি ব্যস্ত আছি পরে কথা
হবে
বলে ফোনটা রেখে দিলাম
রিমি বার বার কল দিচ্ছে
দিতে থাক তাতে আমার কি
একটু একটু করে রিমির থেকে আমাকে দূরে
স্বরে যেতে হবে
ওর মত মেয়ের সাথে শুধু নষ্টামি করা যায়
বিয়ে করে ঘরের বউ বানানো নয় নষ্টা বউ

পর্ব/ ২

রিমি একটার পর একটা কল আর ম্যাসেজ
দিয়ে যাচ্ছে
তবে আমি কোন সাড়া দিচ্ছিনা
কিন্তু চুপ থাকলেও কোন সমাধান হবেনা
রিমি/ এই কি হলো বলবেতো আমায়
আমি এমন কি করলাম যার জন্য আমার
সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিলে
আমি/ রিমি তোমাকে আমার কিছু কথা
বলার আছে
রিমি/ কিছু কথা কেন আমিতো সারারাত
জেগে থাকতে পারবো
তোমার কথা শুনে
আমি/ হুমমমম
তবে কিভাবে কথাটা বলবো সেটাই
বুঝতেছিনা
রিমি একটা হাঁসি দিয়ে বলে
রিমি/ দুষ্টু এমন কি কথা যা আমাকে বলতে
আজ তোমার এত ভয় এত চিন্তা
আমি/ রিমি আমি তোমার সাথে আর
সম্পর্ক রাখতে পারবনা
রিমি/ পাগল ছেলে কোথায় একটু
রোমান্টিকতা করবে
আর তা না করে দুষ্টুমি শুরু করলে
আমি/ না রিমি আমি যা বলছি সত্যি বলছি
তোমাকে আমি চাইনা
তুমি আমাকে ভুলে যাও আমি তোমাকে
ভুলে যাবো
রিমি/ এই তুমি এসব কি বলো হুহহহ তোমার
কি মাথা খারাপ হয়েছে
আমি/ এই শোন তোর সাথে এতক্ষণ
ভালোভাবে কথা বলছি তাই বলে
ভাবিসনা আমি তোর সাথে মজা করছি
রিমি এখন বুঝতে পারছে যা বলছি সত্যি
বলছি মিথ্যা নয়
রিমি/ কিন্তু কেন তুমি এমন কেন করছো
আমার কি দোষ যার জন্য তুমি সম্পর্কটা
ভাঙ্গতে চাইছো
আমি/ দোষ কারও না
তোকে আমার কিছুদিনের জন্য প্রয়োজন
ছিলো তাই তোকে ভালোবেসেছি
আর আমার তো তোকে নয় তোর দেহটা
প্রয়োজন ছিলো সেটাও পেয়েছি
তাই তোকে আর আমার চাইনা
রিমি/ তোমার না চাইলেও আমার চাই
তুমি আমার এতবড় সর্বনাশ করতে পারোনা
আমি/ শোন তোর সাথে কথা বলতে আমার
একদম মন চাইছেনা
তুই আর কখনও আমাকে কল দিবেনা আবার
ম্যাসেজ
রিমি/ তুমি কি করে এতটা পাষাণ হলে
এই তুমি কি সেই তুমি যে আজ সকালেও
শতবার বুকে নিলে জান বলে ডেকে
এই তুমি কি সেই তুমি
যে আমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে
এই তুমি কি সেই তুমি
যে তুমি বলেছিলে আমাকে ছাড়া আর
কাউকে চাওনা
এই তুমি কি সেই তুমি
যে তুমি সবসময় বলতে আমি তোমার পাগলী
বউ
এই তুমি কি সেই তুমি যে তুমি বাঁচতে
চাইতে আমাকে নিয়ে হাজার বছর
তবে আজ কেন এমন করছো
কি আমার অপরাধ
আমি/ শোন তোদের সাথে শুধু মজা করা
যায় ভালোবাসা নয়
যখন দরকার ছিলো তখন জান বলেছি এখন
দরকার নেই তাই তোকে এখন নষ্টা মেয়ে
বলে চিনি
আর কে জানে আমি ছাড়া আর কতজন
ছেলেদের সাথে বিছানা গিয়েছিস
রিমি কিছু না বলে ফোনটা রেখে দিলো
কিন্তু রিমি কাঁদছে খুব খুব কাঁদছে
ফোনটা রেখে একটা ম্যাসেজ দিলো
তোমাকে আমি এত সহজে ছাড়বোনা
আমিও ভাবতে লাগলাম ওর মত একটা মেয়ে
আঁর আমার কি করতে পারবে
উফফফ একটু ভালো শান্তি পাচ্ছি রিমিকে
সবকিছু বলে
এখন আর কোন চিন্তা নেই
বিয়েটা ভালো ভালো করতে পারলে হয়
খুব আরামের একটা ঘুম দিলাম
হয়তো ঘুম নেই শুধু রিমির চোখে
সকাল সকাল মায়ের ডাক শুনে ঘুম ভাঙ্গলো
নাস্তার টেবিলে গিয়ে বসতে আম্মু বললো
আম্মু/ শোন আজ কোথাও যাবিনা তোকে
নিয়ে আজ মেয়ে দেখতে যাবো
আমি/ ঠিক আছে আম্মু
কখন যাবে
আম্মু/ ১০টার দিকে
আমি/ আচ্ছা সমস্যা নেই
সময়মত আমি চলে আসবো
আম্মু/ এখন কোথায় যাচ্ছিস
আমি/ কোথাও না যাবো আর আসবো
আম্মু হয়তো বুঝতে পারেনি আমি যে
সিগারেট টানতে যাচ্ছি
আম্মু/ যা তাড়াতাড়ি আসিস
একটা সিগারেট টেনে চলে আসলাম
বাসায় আসতে আম্মু বলে
আম্মু/ যা তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে আয়
আমি/ হুমমম আম্মু ৫মিনিট
আমিতো আর মেয়ে না যে আটা ময়দা
মাখতে সময় লাগবে
চলো আম্মু
আম্মু/ চল
মেয়ে দেখতে গেলাম
খুব শান্ত নম্র ভদ্র হয়ে বসে রইলাম
আম্মু আর নেহার(পাত্রী) আম্মু আব্বু কথা
বলছে
কিছুক্ষণ পর নেহাকে নিয়ে আসলো
কিন্তু নেহার সাথে এ কে দেখে চমকে
গেলাম ভয়ও পেলাম
রিমি এই মেয়েটা এখানে কি করছে
রিমিও আমাকে দেখে অবাক হলো
এখন হয়তো সে আমাকে দেখে বুঝতে পারছে
কেন আমি তার সাথে সম্পর্ক ভাঙ্গলাম
খুব ভয় লাগছে এই মেয়ে যদি সবকিছু খুলে
বলে দেয়
উফফফ…… খুব টেনশন হচ্ছে এখন কি যে করি
নেহা এসে আম্মুকে পাঁ ধরে সালাম করলো
কিন্তু রিমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে
আমি মাথাটা নিচু করে রইলাম
একটু পর রিমির আম্মু বলে উঠলো
সবকিছু আমরা চেনা জানা হলে হবেনা
ওরাও একে অপরকে চিনতে হবে জানতে হবে
আমার আম্মু/ হ্যাঁ ঠিক-ই বলেছেন
তোমরা দুজন ছাদে যাও আর একজন আরেক
জনের সাথে পরিচিত হয়ে নাও
আমি/ না আম্মু লাগবেনা
নেহার আব্বু/ যাও বাবা যাও সমস্যা নেই

পর্ব/৩

ইচ্ছা না থাকলেও যেতে হচ্ছে
কিন্তু আমি আছি খুব ভয়ে রিমি যদি
সবকিছু ফাঁস করে দেয়
এদিকে নেহাও একা যেতে চাইছেনা
তাই রিমিকে সঙ্গে করে নিতে চাইলো
রিমি/ না তোরা যা আমি বরং এখানে
আছি
নেহা/ চলতে এখানে থেকে কি করবি
নেহার আব্বু/ যা মা তুইও যা
বাধ্য হয়ে রিমিও সঙ্গী হলো
ছাদে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছি কি বলবো আর
কি বলার আছে
রিমি একটু দূরে দাঁড়িয়ে আছে আমি লক্ষ্য
করলাম
বার বার চোখের জল মুছতেছে
আমি আর নেহা কিছুক্ষণ কথা বলার পর-ই
নিচে চলে আসলাম
এসে দুজনে সম্মতি দিলাম
বিয়ের কথাবার্তা ঠিক প্রায় শেষ আংটি
পড়িয়ে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করা হলো
চলে আসলাম ঐ বাসা থেকে
কিন্তু মনে অনেক প্রশ্ন জাগতে শুরু করলো
রিমিকে নিয়ে
বাসায় এসে রিমিকে অনেক ফোন করলাম
কিন্তু রিমির কোন সাড়া পেলাম না
মনে মনে ভাবছি মেয়েটা কোন গন্ডগোল
লাগাবেনা তো
অনেক চিন্তা ভাবনা নিয়ে বিয়ের দিন
ঘনিয়ে আসলো
না সবকিছুই ঠিকঠাক আছে
কিন্তু হঠাৎ করে নেহাদের বাড়ি থেকে
ফোন আসলো
নেহা নাকি পালিয়ে গেছে অন্য আরেকটা
ছেলের সাথে
এ কথা শুনে আমার আম্মু খুব ভেঙ্গে পড়ছে
এখন কি হবে বিয়েতে সবাইকে দাওয়াত
দেয়া হয়ে গেছে
সব আয়োজন শেষ এখন যদি বলি মেয়ে
পালিয়ে গেছে চোখ দেখাব কি করে
আত্মীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশির কাছে
আমার আম্মু ঐ বাড়িতে আবারও ফোন
দিলো
আম্মু/ আপনারা আগে বলেন নি কেন
আপনাদের মেয়ের অন্যকোন ছেলের সাথে
সম্পর্ক আছে
বিয়ের সব আয়োজন শেষ দাওয়াত করা শেষ
আর এখন আপনারা বলছেন মেয়ে পালিয়ে
গেছে
নেহার আব্বু/ দেখুন আমরা বুঝতে পারছি
সম্মান শুধু আমাদের নয় আপনাদেরও নষ্ট
হবে
কিন্তু কি করবো বলুন
আমরাও এসবের কিছু জানতাম না
তবে আপনি যদি চান
তাহলে আমাদের একটা ভাগ্নি আছে তাকে
আমরা আপনার ছেলের সাথে বিয়ে দিতে
রাজি আছি
এতে আমাদের দু-পরিবারের-ই সম্মান
বাঁচবে
আম্মু আমার সাথে কোন কথা না বলে
রাজি হয়ে যায়
আমাকে শুধু এটুকু বলেছে
আম্মু/ বিয়ে হবে ঠিক সময়ে
আমি/ কার সাথে নেহা তো পালিয়ে
গেছে
আর সে ফিরে এলেও আমি তাকে আর বিয়ে
করবনা
আম্মু/ নেহার সাথে নয় নেহার এক
নামাতো বোনের সাথে তোর বিয়ে হবে
আমি/ না দেখে বিয়ে করবো
আম্মু/.হুমমমম তোর দেখতে হবেনা আমি
তাকে দেখেছি
বিয়ের এত আয়োজন এত লোকজন এত
আত্মীয়স্বজন
আমি সবার কাছে ছোট হতে চাইনা
তাই তোকে বিয়েটা করতে হবে
কি আর করা মায়ের কথা শুনতে হবে
তাই রাজি হয়ে গেলাম
যা হবার পরে হবে
আজ আমার বিয়ে
বিয়ের সব আয়োজন শেষ
কিন্তু এখনও বউয়ের চেহারা দেখতে পাইনি
কিভাবে দেখবো যেখানে আমরা সেখানে
সবাই
যাক একবারে দেখে নিবো বাঁসর ঘরে
এত তাড়া কিসের
নতুন বউ নিয়ে বাসায় আসলাম
বউটাকে আমার ঘরে রাখছে
মাঝখানে রিমির কথা মনে পড়লো
বেচারি রিমি কত স্বপ্ন ছিলো আমার বউ
হবে
সোনার একটা সংসার সাঁজাবে আমার
পাশাপাশি থাকবে
হা হা হা আজ দিলাম তো একটা বাঁশ
খাইয়ে
যাই অনেক রাত-ই তো হলো
জীবনে অনেক মেয়েকে তো জান বলে
ডাকছি
অনেক মেয়েকে ভালোবাসি বলছি
অনেক মেয়েকে সময় দিয়েছি ঘণ্টার পর
ঘণ্টা
আজ নাহয় সব ভালোবাসা আর একটু সময়
বউকে দিবো
দরজা টোকা দিলাম
না দরজা খোলাই আছে
ইসসসস ভাবতে কেমন জানি লাগে আজ
আমার বাঁসর রাত
কত-ই না স্বপ্ন এই রাতকে ঘিরে
এক পাঁ দু পাঁ করে এগিয়ে যাচ্ছি নতুন বউয়ের
দিকে
বউটা খাটের উপর-ই বসে আছে
মনটা আনচান আনচান করছে না দেখে
মায়ের কথায় যাকে বিয়ে করেছি না
জানি সে কেমন
বউয়ের পাশে বসে নতুন বউকে বলতে
লাগলাম
আমি/ দেখলে তো কি থেকে কি হয়ে গেছে
নেহা আমাকে বললে পারতো আমি কি
তাকে জোর করতাম বিয়ের জন্য
যাক ভালোই হলো ওকে বিয়ে করেও সুখী
হতে পারতাম না
কারন… তার মনে অন্যকেউ ছিলো আছে
বউটা চুপচাপ মনে হয় লজ্জা পাচ্ছে
আগে নতুন বউয়ের লজ্জাটা ভাঙ্গাই তারপর
অন্যকিছু
এমন একটা ঘোমটা দিয়ে বউটা বসে আছে
মনে হয়
মনে হয় আমি যেন পর পুরুষ
আস্তে আস্তে ঘোমটা টা সরাতে লাগলাম
ঘোমটা সরিয়ে আমি যখন তার চেহারাটা
দেখলাম
মাথার উপর আমার আকাশ ভেঙ্গে পড়লো
আমি/ এ কি তুমি এখানে বউ সাঁজে
চলবে…..???

পর্ব/৪

রিমি/ তুমি কি মনে করেছো আমার জায়গা
অন্যকেউ দখল করতে পারবে
তাও আবার এত সহজে
তোমাকে না সেদিন বললাম এতসহজে
তোমাকে আমি ছাড়বোনা
আমি/ কিন্তু তুমি এখানে কি করে এলে
রিমি/ মানে কি…
তুমি তো অনেক মানুষকে সাক্ষী করে
তোমার সাথে করে আমাকে নিয়ে আসলে
আমি/ মানে…..
তুমি আমার বিয়ে করা বউ
তোমাকে আমি না দেখে বিয়ে করলাম
রিমি/ হুমমমমম
আমি/ আম্মু আম্মু
আম্মু/ কিরে কি হয়েছে
আমি/ এই মেয়েটা এখানে কেন
আম্মু/ তোর কি মাথা খারাপ হয়েছে কি
বলছিস এসব
তোর বউ তোর ঘরে থাকবো নাতো কি
আমার ঘরে থাকবে
সত্যি ধ্রুব তুই বড় হয়েছিস
কিন্তু জ্ঞান বুদ্ধি এখনও কিছুই হয়নি
আমি/ কিন্তু আম্মু এই মেয়েটা তো…..
না থাক আম্মুকে কিছু বলা যাবেনা
কি আর করা
মায়ের কথা শুনে এই শীতের রাতেও অনেক
ঘেমে গেছি
আম্মু/ যা দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়
আমি কি আর করবো দরজাটা বন্ধ করে
দিলাম
আমার চোখে মুখে ঘাম দেখে রিমি এসে
বলে
রিমি/ আহারে …… আমার পরাণটার এ কি
অবস্থা হলো ঘামে ভিঁজে
আসো জানু আমার শাড়ির আঁচল দিয়ে
তোমার ঘাম মুছে দেই
আমি/ এই তুমি আমাকে একদম স্পর্শ করবেনা
তুমি একটা নষ্টা মেয়ে নষ্টা বউ
এই বিয়ে আমি মানিনা
আর বউ তো পরের কথা কাজের মেয়ে
হিসেবেও আমি তোমাকে এ বাড়ীতে
দেখতে চাইনা
রিমি/ আচ্ছা আমিতো নষ্টা মেয়ে সেটা
ঠিক আছে কিন্তু তুমি কি ধোঁয়া তুলসী
পাতা
আমি নাহয় এক লম্পটে কে বিশ্বাস করে সব
দিয়েছি
কিন্তু তুমি কেন একটা মেয়ের বিশ্বাস
নিয়ে খেলেছো
বলতে পারো
রিমির মুখে লম্পট কথাটা শুনতে মাথাটা
আরও গরম হয়ে যায়
এমনকি তার গায়েও হাত তুলি
আর সোজা বলে দিয়েছি
স্ত্রীর মর্যাদা নিয়ে কখনও আমার সামনে
আসার চেষ্টা করবিনা
তোমার মত মেয়েদেরিতে আমরা টাকায়
কেনাবেচা করি
রিমির কষ্ট হলেও তা সে প্রকাশ করতে
চায়চেনা
আমি তাকে যতদূরে ঠেলে দিতে চাই সে
ততটাই আমাকে তার কাছে টেনে নেয়
রিমি/ চলো জানু রাত তো প্রায় শেষ আজ
না আমাদের বাঁসর রাত
আমাকে একটু আদর সোহাগ করো আমি যে
আর পারছিনা তোমার ভালোবাসা
পাওয়ার জন্য
আমি/ হুহহহহহ যা সর
একটা বালিশ দিয়ে
আমি/ নে ধর তুমি না আমাকে ভালোবাসো
আমাকে খুশি রাখতে চাও তাহলে আজ
থেকে আমার সাথে নয়
ঐ মেঝেতে তোমাকে ঘুমাতে হবে
রিমি হাঁসি মুখে বলে
রিমি/ সব করবো সব পারবো শুধু তোমাকে
ভালোবেসে
আমি আর কোন কথা না বলে শুয়ে পড়েছি
কি ভাবলাম কি হলো
শেষমেশ এই রিমি আমার বউ হলো উফফফফ
কখন যে চোখটা লেগে গেলো বুঝতে
পারিনি
সকাল হয়ে এলো উঠে দেখি রিমি নেই
ঘরেও খুঁজে দেখলাম নেই
মনে মনে ভাবছি চলে গেছে মনে হয়
যাক গেলে আমি বাঁচি
ব্রাশ করতে করতে এদিক ওদিক দেখতে
লাগলাম রিমি কোথাও আছে নাকি
হঠাৎ করে আম্মুর কণ্ঠে শুনতে পেলাম
যা মা ধ্রুবকে ডেকে তুল
অনেকবেলা হলো আর কত ঘুমাবে
পিছন থেকে আমি
আমি/ কারোর ডাকতে হবেনা
আমি নিজ থেকে উঠে গেছি
আম্মু/ উঠেছিস ভালোই করেছিস যা হাতমুখ
ধুঁয়ে আয় সবাই মিলে আজ নাস্তা করবো
হাতমুখ ধুঁয়ে নাস্তার টেবিলে গিয়ে বসলাম
আম্মু তখন আমাকে চুপি চুপি বলে
আম্মু/ জানিস ধ্রুব বউ পেয়েছি সকাল থেকে
এই পর্যন্ত কোন কাজ-ই আমায় করতে দেয়নি
সব একাই করেছে সে
কত করে বললাম নতুন বউ এখন এসব তোমাকে
করতে হবেনা
কেউ শুনে কার কথা
আরও কি বলে জানিস
আরও বলে নতুন বউ হয়েছি তো কি হয়েছে
তাই বলে কি পাঁয়ের উপর পাঁ তুলে খাবো
না ঐরকম মেয়ে এই রিমি নয়
বুঝেছি এক সকালে যে মেয়েটা আম্মুর মন
এতটা জয় করে নিয়েছে তার হয়তো আর
বেশিদিন সময় লাগাবেনা
আম্মুর খুব বিশ্বাসী আর লক্ষী বউ হতে
আমি না খেয়ে উঠে যাচ্ছি
এমন সময় রিমি বলে
রিমি/ কি হলো চা না খেয়ে চলে যাচ্ছো
যে
এটা কিন্তু ঠিক না
মন চায়….. না থাক আম্মুর সামনে কিছু করা
যাবেনা
তাহলে যে চোখ-ই দেখাতে পারবনা
আম্মু/ হ্যাঁ রে ধ্রুব চা টুকু খেয়ে যায়
কি আর করা আবার বসতে হলো
রিমিও এক কাপ চা দিলো
আমি মুখে দিবো এমন সময় রিমি
রিমি/ এই দাঁড়াও দাঁড়াও এদিকে দাও বলে
চায়ের কাপটা আমার হাত থেকে নিয়ে
নিজে এক চুমুক খেয়ে নিলো
খেয়ে বলে
নিন সবকিছু ঠিক আছে আমি ভাবলাম
বোধহয় চিনি একটু বেশি দিয়ে দিছি তাই
খেয়ে দেখলাম
নষ্টা মেয়ের এমন পাগলামী দেখে আম্মু
আমার মুচকি মুচকি হাঁসে
আর বলে
আম্মু/ খুব ভালো কপাল নিয়ে জন্মেছিস ধ্রুব
নাহলে এই যুগে কি কেউ এখন এমন বউ পায়
চলবে…???

পর্ব/৫

বউ না ছাঁই এই মেয়ের জন্য আমার জীবনটা
নষ্ট হয়ে গেছে
রিমি/ কি ভাবেন মনে মনে চা তো ঠান্ডা
হয়ে গেলো
একটা সময় ছিলো যখন রিমির মুখের সবকিছু
খেতে ভালো লাগতো কিন্তু এখন আর
ভালো লাগেনা
আমি/ তোমার ইচ্ছা হয়তো তুমি খাও
আমার ইচ্ছা নেই
একটু রাগ দেখিয়ে চলে আসলাম
রিমি আমার পিছন পিছন এসে
রিমি/ মায়ের সামনে এমনটা না করলে কি
হয়না
আমি/ হা হা হা এ তো দেখি মায়ের
চাইতে মাসীর দরদ বেশি
রিমি/ তুমি আমাকে যত পারো কষ্ট দাও যত
পারো কথা শোনাও কিন্তু দয়া করে আমার
আর আপনার মা বাবার সামনে এমনটা
করবেন না
আমি/ কার সাথে কিভাবে কথা বলতে হবে
এখন কি সেটাও তোমার থেকে আমাকে
শিখতে হবে
রিমি/ আচ্ছা তুমিতো এমন ছিলেনা
এই তুমি আমাকে দেখার জন্য আমাকে
পাওয়ার জন্য
আমার সাথে একটু কথা বলার জন্য ছটপট
করতে
আজ সে তুমি আমাকে এতটা কাছে পেয়েও
দূরে ঠেলে দিচ্ছো
কেন কেন কেন শার্টের কলার ধরে কাঁদো
কাঁদো গলায় রিমি বলতে লাগলো
আমি/ আমি এই ছাড়োতো যখন তোমাকে
প্রয়োজন ছিলো তখন বলেছি
এখন তোমাকে আমার প্রয়োজন নেই তাই
আমার কাছে আসার চেষ্টা করবেনা
দূরে থাকবে আমার থেকে
রিমি/ কিন্তু কেন
কেন তুমি আমার জীবনটা এভাবে নষ্ট
করলে
কি এমন ক্ষতি আমি করেছি তোমার
আমি/ মনে পড়ে সেই নাহিদের কথা
যে তোমাকে পাগলের মত ভালোবাসতো
বান্ধবীদের সাথে বাজি ধরে যার জীবন
নিয়ে তুমি চিনিমিনি খেললে
মিথ্যা ভালোবাসার অভিনয় করে যাকে
অবেলায় ঠেলে দিলে মৃত্যুর মুখে
যার সহজসরল হৃদয়টাকে তুমি ভেঙ্গে চুরমার
করে দিলে
যাকে শেষমেশ মৃত্যুর দেশের যাত্রী
বানালে
আমি সেই নাহিদের বন্ধ ধ্রুব
কি দোষ ছিলো আমার সহজসরল বন্ধুটার
তুমিতো তাকে বললে কলেজের মাঠে সব
ছেলেমেয়ের সামনে চিৎকার করে
পৃথিবীকে জানিয়ে বলতে
রিমি আমি তোমাকে ভালোবাসি তুমি
শুধুই আমার
এই মেয়ে এই শুধুমাত্র তোমাকে খুশি করার
জন্য
কলেজের মাঠে সবার সামনে পৃথিবীকে
জানিয়ে চিৎকার করে বলেছিলো
তোমার শেখানো সেই ভালোবাসার
বাণীটি
আর সেই তুমি সবার সামনে তাকে থাপ্পড়
মেরে অপমান করলে
বলো কেন করলে কেন কেন কেন কি ছিলো
আমার বন্ধুর অপরাধ
জানো তোমার অপমান কষ্ট ব্যথা
হারানোর ভয় সহ্য করতে না পেরে আমার
বন্ধু আত্মহত্যা করেছিলো
জানো সে আত্মহত্যা করার আগে ছোট
একটা চিঠি লিখি গিয়েছিলো
(চিঠি) রিমি তোমাকে ভালোবেসে মরতে
চাইনি
চেয়েছিলাম তোমাকে নিয়ে হাজার বছর
বাঁচতে
চেয়েছিলাম তোমার হাতে হাত রেখে একটু
পথ চলতে
আর সেই তুমি মাঝপথে আমার হাত ছেড়ে
দিয়ে আমাকে একা করে চলে গেলে
তোমার চলে যাওয়া আমি সহ্য করতে
পারিনি
নিজ চোখে দেখতে পারবনা তুমি অন্যকারও
তাই নিজের
স্বার্থপর বলে দিতে পারবনা তোমাকে
অপবাদ
বলতে পারবনা এই মেয়েটা ছলনাময়ী
তাই জীবন নিজে দিয়ে দিছি
কেন জানিস পাগলী
কারন… তোমাকে বড্ড বেশি
ভালোবাসতাম বড্ড বেশি
আর সেদিন থেকে আমি শপথ করেছি
তোমার জীবনটাও আমি নরক করে দিবো
ভালোবাসার আগুনে তোমাকেও পুঁড়ে ছাঁই
বানাবো
হ্যাঁ আমি আজ সফল হয়েছি
আমার বন্ধু মরে গিয়ে হয়তো ভালো করেছে
কিন্তু তুমি মরবে প্রতিনিয়ত প্রতিক্ষণ
চেয়েছিলাম তোমাকে ভোগ করে তোমার
সুন্দর দেহে দাগ তোমার সারা অঙ্গে কলঙ্ক
মাখিয়ে ছেড়ে দিবো
কি্নতু দুর্ভাগ্যবশত সেই তুমি বউ হয়ে আসলে
আমার ঘরে
কিন্তু মনে রেখ
স্ত্রীর মর্যাদা তুমি কখনও পাবেনা আমার
থেকে
রিমি মাথায় হাত দিয়ে বসে গেলো
কথা বলার মত ভাষা সে হারিয়ে ফেলেছে
বাহির থেকে আম্মু ডাকতে লাগলো
আম্মু/ কিরে ধ্রুব কি হয়েছে
এত চিৎকার করছিস কেন
আমি/ কই না তো আম্মু তুমি ভুল শুনেছ
আম্মু/ ওহহহহ
একটু বাহিরে আয় তো
বাহিরে যেতে আম্মু বলে
আম্মু/ শোন বাবা রিমিকে নিয়ে তুই বরং
তার বাবার বাড়ি থেকে কিছুদিন বেড়িয়ে
আয়
তাতে মেয়েটার মনটাও একটু হাল্কা হবে
তোর মনেও একটু শান্তি খুঁজে পাবি
আমি/ কি বলো তুমি এসব শুশুর বাড়ি বেঁচে
থাকতেও না
আমি কখনওই ঐ বাড়িতে যাবোনা
আম্মু/ সে কিরে বাবা এই তুই কি বলছিস
বিয়ে করেছিস দুদিন হয়নি এখন-ই এসব কথা
না বাবা এমনটা করিসনা
এটাতো সমাজের নিয়ম আমরা চাইলে
ভাঙ্গে পারিনা
আমি/ ঠিক আছে শুধুমাত্র তোমার কথা
ভেবে তোমার মুখের দিকে তাকিয়ে যাবো
নাহলে ঐ বাড়িতে যাওয়ার কোন ইচ্ছা নেই
আমার
আম্মু/ কিরে বৌ’মা কাঁদছে কেন নিশ্চয় তুই
কিছু বলেছিস
আমি/ কই নাতো একদম কিছু বলিনি
আম্মু/ তাহলে কাঁদছে কেন
আমি/ বোধহয় বাড়ির কথা মনে পড়ছে তাই
আম্মু রিমির মাথায় হাত বুলিয়ে বলতে
লাগলো
আম্মু/ শোন মা কাঁদছিস কেন
এটাতো শুধু তোর বেলায় নয় আমার বেলাও
হয়েছে
সবার বেলাও হবে
বাবার বাড়ি ছেড়ে স্বামীর বাড়ি আসতে
হবে
আর শোন তোমার বাঢি শুধু তোমার বাড়ি
নয় এটাও তোমার বাড়ি
যা মন চাইবে তাই করবে
যেভাবে ভালো লাগবে সেভাবে চলবে
কারন…. তুমি শুধু তোমার মা বাবার মেয়ে
নয়
আমারও মেয়ে আমার ঘরের লক্ষী বউ
আর আমি চাইনা আমার ঘরের লক্ষী এভাবে
চোখের জলে বুক ভাসাক