Home ছোট গল্প স্যারের গুন্ডি মেয়ে

স্যারের গুন্ডি মেয়ে

এই ভাইয়া উঠ ((ইরা))
আবাল ধুরে গিয়া মর ((আমি))
উঠ না হলে আব্বুকে ডাক দিবো ((ইরা))
তুই আমার বোন না শত্রু।। ধুর বাল ভালো লাগে না।যা যাচ্ছি আমি
ইরা চলে গেলো
ঘুম ঘুম চোখে উঠে ফ্রেশ হতে চল্র গেলাম,,,
আপনাদের তো পরিচয় দেওয়াই হলো না,
আমি ইমন
বাবা-মার দুই মাত্র সন্তান।। আমি এইবার ইন্টার সেকেনফ ইয়ারে।। একটু আগে যার সাথে কথা বললাম সে হলো আমার বোন।। ক্লাস নাইনে পড়ে।। আর ভাব দেখে মনে হয় আমার সাথে৷৷
যাই হোক
ফ্রেশ হয়ে নিচে গেলাম,,৷
ইরা বাসার ষাড়টাকে খাবার দে।। না হলে আবার ক্ষেপে যাবে ((আব্বু))
হুম ইরা।। ষাড়ের আব্বুকেও দে বুড়ো ষাড় বলে কথা কখন টপকে যায়।। ভালো করে খেয়ে নিক ((আমি))
ওই ছাগল আমার মরার কামনা করিস তুই (আব্বু))
তুমি আমাকে ষাড় বললা কেন ((আমি))
সারাদিন তো ষাড়ের মতো পরে পরে ঘুমাস ((আব্বু))
আমার বাপের বাড়িতে আমি খাই না ঘুমাই সেটা আমার ব্যাপার তোমার কি ((আমি))
কারন বাড়িটা আমার আর তোর বাপ আমি((আব্বু))
তোমরা বাপ ছেলে কি শুরু করলা সকাল সকাল ((আম্মু))
কিছু না আম্মু।। খেতে দেও খুব ক্ষুদা লাগছে ((আমি))
আব্বুর থেকে আমি আম্মুকে বেশি ভয় পাই।।কিন্তু যখন রেগে যায় তখন।। কারন আম্মি রেগে যাওয়া মানে পকেটে টাকা অফ আর আমি ফকির ।।
সামনে তো পরিক্ষা।। আইসিটি প্রাইভেট পরবি কোনদিন থেকে।। বাসায় তো পরতে বসতে দেখি না ((আম্মু))
পরবো পরবো।। কিছুদিন পর ((আমি)
১ বছর ধরে তো তাই বলছিস।। কিছুদিন আগে বললি প্রাইভেট পরিস।। ।। শুধু প্রাইভেটের বেতন নিয়েই গেলি। কিন্তু প্রাইভেট পরা দেখলাম না (আম্মু)
প্রাইভেট তো পরতাম কিন্তু স্যার পরে পড়ানো বন্ধ করে দিলো যে ((আমি))
হুম।। বুঝলাম কিন্তু নতুন প্রাইভেট ধরবি কোনদিন ((আম্মু))
কিছুদিনের মধ্যে ((আমি))
নাস্তা করে ব্যাগটা নিয়ে কলেজে আসলাম,,,
কলেজে এসে দেখলাম জয় আর শাহারিয়া মেয়েদের দিকে তাকিয়ে আছে,,,
আমি পিছন থেকে গিয়ে দুই হাত দিয়ে দুজনের মাথায় থাপ্পড় মারলাম,,,
কেবে ((শাহারিয়া))
তোর বাপ বে ((আমি))
ও তুই।। কখন আসলি ((শাহারিয়া))
এক্ষুনি।। কি করিস তোরা এখানে ((আমি))
ফুল দেখি বেটা ((জয়))
তোর জীবনে ভালো হবি না ((আমি))
কে বলছে এই কথা ভাবা যায়।। ((জয়))
আমি নীল বলছি
হুর ধুর হ।। তুই কেমন জানা আছে।। শালা শক্তি কাপুর ((জয়))
আমি যদি শক্তি কাপুর হই তুই প্রেম চোপরা ((আমি))
হইছে তোরা থাম ((শাহারিয়া))
হুম।। কথা হইলো মামা প্রাইভেটের নামে অনেক টাকা মারছি।। এখন একটা প্রাইভেট পড়া দরকার ((আমি))
হুম।। আমার আম্মু তো কাল স্যারকে ফোন দিতে চাইছিলো।।((শাহা
রিয়া))
কেন বে ((জয়))
আম্মু বললো যে আমাদের স্যার এতো বন্ধ দেয় কেন (শাহারিয়া))
তুই কি বললি ((জয়))
স্যারের ডেংগু হইছে
((শাহারিয়া))
হালার পো।। পারিস ও তুই ((আমি))
হুম।। কিন্তু এখন প্রাইভেট না পরলে ঘি আর হজম হবে না।। ধরা খাইতে হবে ((জয়))
ঠিক বলছিস ((আমি))
কিন্তু কার কাছে পরবো ((শাহারিয়া))
আমাদের কলেজের আইসিটি স্যারের কাছে পড়ি ((আমি))
মফিস এর কাছে ? ((জয়))
আসলে স্যারের নাম হচ্ছে মিজান।। অরফে মফিস মিজান।। স্যারের বাসা রংপুর তাই স্যারকে ছাত্ররা মফিস বলে কিন্তু স্যারের সামনে না।। ((প্রত্যেক কলেজেই স্যারদের নিক নেম থাকে।। ঠিক না/ বেঠিক))
হুম পড়া যায় সমস্যা তো নাই ((আমি))
তাইলে স্যারের সাথে কথা বলি চল ((শাহারিয়া))
সবাই মিলে স্যারের কাছে গেলাম,,,
আসতে পারি স্যার ((আমি))
আসো ((স্যার))
স্যার। আমরা না আপনার কাছে প্রাইভেট পড়তে চাচ্ছিলাম।। ((আমি))
এতোদিন পর মনে পড়লো তোমাদের যে প্রাইভেট পড়া দরকার।। এখন প্রাইভেট পড়ে কি তোমরা পাস করতে পারবা।। আমার তো মনে হয় না ((স্যার))
মফিসের কথা শুনে মনে হচ্ছে ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেই।।
স্যার আপনি চাইলেই হবে ((আমি))
আচ্ছা কাল সকাল আট টায় আমার বাসায় চলে আস ((স্যার))
আচ্ছা স্যার ((আমি))
বাইরে আসলাম,,,
ভাই আট টা এততারাতাড়ি ((আমি))
তোর তো আবার ১১ টা না বাজলে সকাল হয় না ((জয়))
হুর বলদ ((আমি))
আচ্ছা চল বাসায় যাই ((শাহারিয়া))
হুম চল,, কিন্তু আমি যে স্যারের বাসা চিনি না
কি চিনো তুমি লাওড়া ((জয়))
মুখের ভাষা ভালো কর মাদার তেরেসা ((আমি))
আচ্ছা তুই তিন রাস্তার মোড়ে আসিস আমরা দাঁড়ায় থাকবো এখন ((শাহারিয়া))
হুম (আমি))
বাসায় আসলাম,,,
আম্মু খাওয়ার দেও ক্ষুদা লাগছে
ফ্রেশ হয়ে আয় দিচ্ছি ((আম্মু))
আমি ফ্রেশ হয়ে এসে টেবিলে বসলাম,,,
ইরা আসলো ,,,
খাওয়ার দে তো ((আমি))
পারব না।। নিজে নিয়ে নে ((ইরা))
ডায়নি সর সামনে থেকে ((আমি))
ভালো হবে না তোর ((ইরা))
তোর মতো বোন থাকলে কারুরি ভালো হবে না,,, ((আমি))
ইরা চলে গেলো,,,
আমি খাওয়া করে রুমে আসলাম,,,,
রুমে এসে গেম খেলতে লাগলাম,,,
বিকেলে ঘুরতে গেলাম,,,
সন্ধ্যায় বাসায় আসলাম,,,,
রাতে আম্মু খাওয়ার জন্য ডাকল,,,
একটু পর নিচে খাইতে গেলাম,,,
আম্মু প্রাইভেট ঠিক করলাম,, ((আমি))
কখন থেকে ((আম্মু))
সকাল আটটায়)((আমি))
ঘুম ভাংবে তো ((আম্মু))
দেখা যাক ((আমি))
খাওয়া করে রুমে চলে আসলাম,,,
প্রতিদিন রাত দুইটাই ঘুমাই আজ ১ টায় ঘুমালাম,,,
কারন কাল প্রাইভেট যেতে হবে,,,
সকালে উঠলাম,,
ফ্রেশ হয় নিচে গেলাম,,,
সবাই আমার দিকে হা হয়ে তাকিয়ে আছে,,,
আজ সূর্য কোনদিকে উঠছে ((ইরা))
তোর পিছনে।। +(ওর মাথায় টোকা মেরে))
নাস্তা করে তিন রাস্তার মোড়ে গেলাম,,
কিন্তু শাহারিয়া আর জয়ের খবর নেই
জয়কে ফোন দিলাম,,,
কই তোরা ((আমি))
আমরা তো চলে আসলাম,,।। তুই আয় ((জয়))
আরে আবাল আমি কি বাড়ি চিনি
তুই মাদ্রাসার সামনে এসে কাউকে জিজ্ঞেস কর বলে দিবে ((জয়))
ফোন টা কেটে দিয়ে মাদ্রাসার সামনে গেলাম,,,
কিন্তু কাউকে দেখতে পাচ্ছি না,,, একটু পর একটা মেয়েকে আসতে দেখলাম,,,
ওকে ডাক দিলাম,,,,
মেয়েটা আমার কাছে আসল,,,
আচ্ছা মফিস মিজানের বাড়িটা কোনদিকে বলতে পারবেন,,, ((আমি))
মফিস মিজান ফির কে ((মেয়েটি))
টাকলু করে।। সরকারি কলেজের টিচার,, মিজান রহমান ((আমি))
ও তাই। তা মফিস নামে ডাকলেন কেন ((মেয়েটি))
ওনি তো রংপুরের মফিস।। এখন বাসাটা কোথায় বলুন তো ((আমি)
দারান দেখাচ্ছি,,,
তারপর মেয়েটা যা করলো,,,,

আচ্ছা মফিস মিজানের বাড়িটা কোনদিকে বলতে পারবেন,,, ((আমি))
মফিস মিজান ফির কে ((মেয়েটি))
টাকলু করে।। সরকারি কলেজের টিচার,, মিজান রহমান ((আমি))
ও তাই। তা মফিস নামে ডাকলেন কেন ((মেয়েটি))
ওনি তো রংপুরের মফিস।। এখন বাসাটা কোথায় বলুন তো ((আমি)
দারান দেখাচ্ছি,,,।
বলেই মেয়েটা নিজের পা থেকে জুতা খুলে মারতে আসল,,,
আমি কিছু না বুঝে দোউরাতে লাগলাম,,,
ওই আপনি আমাকে মারতে আসছেন কেন,,,
তুই আমার বাবাকে মফিজ বললি কেন ,,, (মেয়েটি))
ওই দারান,,
মেয়েটিকে থামালাম,,,
তাহলে আপনি মফিস মিজানের মেয়ে 😳
কুত্তা আবার তুই আমার আব্বুকে গালি দিলি,,
দারা দেখাচ্ছি তোকে,,,
বলেই মেয়েটি জুতা দিয়ে মারতে আসছিলো,,
আমি ওর হাতটা ধরলাম,
ও ছাড়ার চেষ্টা করছিলো,
দুজনের টানাটানিতে জুতাটা সাইডের নর্দমায় গিয়ে পড়লো,,
মেয়েটির দিকে তাকালাম,,
রেগে বোম হয়ে আছে,,,
আহা কি হইলো এটা,,, অবশ্য দোষটা আপনারি ছিলো,, তাও সরি।
বলেই কেটে পড়লাম,,,
তারপর রাস্তার পাশে একটা লোককে বলে স্যারের বাসা খুজে বের করলাম,,,
আমি ভিতরে গেলাম,,,
কি ব্যাপার ইমন প্রথম দিনেই দেরি,,, ((স্যার))
তখুনি পিছনে একটা শব্দ পেলাম,,,
পিছনে তাকিয়ে দেখি স্যারের মেয়ে,,,
আসলে স্যার আপনাদের এলাকার এক নারী কুকুর আমার পিছু নিয়েছিলো,,, খুব কষ্ট করে পালিয়ে এসেছি,,,
আচ্ছা বসো,,,
শাহারিয়ার আর জয়ের পাশে বসলাম,,,
কি রে কই ছিলি,, ((জয়))
তোদের সাথে কথা নাই,,, তোরা বন্ধু হালার পুত একা রেখে আসলি৷,,
আস্তে স্যার শুনতে পাবে,,, ((শাহারিয়া))
বের হই প্রাইভেট থেকে তারপর তোদের গুষ্টির শ্রাদ্ধ করবো,,,
তারপর স্যারের দিকে মন দিলাম,,,
প্রাইভেট শেষে সবাই বের হলাম,,,

বের হয়ে ছাদের দিকে তাকালাম সকালের মেয়েটা দাঁড়িয়ে আছে,,,
আমাকে দেখে মুখ ভেংচি দিলো,,,
আমি কিছু না বলে চলে আসলাম,,,
একটু দূরে এসে জয় আর শাহারিয়াকে মারতে লাগলাম,,,
আরে আরে মারছিস কেনো,,, ((জয়))
তোরা ফ্রেন্ড তোদের জন্য আজ কতোবড় প্রবলেম এ পরেছিলাম,,,
কি হয়েছে সেটা বলবি ত (জয়))
তারপর ওদের সব খুলে বললাম,,,
ওদের হাসতে হাসতে মাটিতে গড়াগড়ি খাওয়ার মতো অবস্থা
আমি মরি আমার জালায় আর তোরা হাসতিছিস,,
নাম কি রে ওর,,
মিরা (জয়)
মিরা মফিজ,,,
দোস্ত স্যারের মেয়ে নাকি সেই পরিমানের রাগি তোর কপালে দুংখ আছে,, ((জয়))

আমি কি কম দেখে নিবো চল,,,
তারপর বাসায় চলে আসলাম,,,
পরের দিন প্রাইভেট গেলাম,,
প্রাইভেটের সময় মেয়েটাকে দেখতে পেলাম না,,
প্রাইভেট থেকে বের হতেই মনে হলো বৃষ্টি পড়ছে,,,
এমনিতেই ঠান্ডা তার উপর পানি,,,
কি কেমন লাগলো আমার সাথে লাগা না
ছাদের উপর থেকে কথাটা বললো মিরা,,,
দেখে নিবো এক মাঘে শীত যায় না,,
যা যা কি করার আছে করে নিস,,, ((মিরা))
ওকে,,, মিরা মফিজ
কি বললি,,, ((মিরা))
আমি একবার বলি আর একশ বার বলি কথাটা একি, ,
খেলা এখনো বাকি আছে,,,
মিরা আমাদের কলেজেই পড়ে আমাদের সাথে কিন্তু ক্লাস করে না,,,
পরের দিন প্রাইভেট ছিলো না,,,
সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে
কলেজ গেলাম,,,
কলেজে গিয়ে দেখি আজ মিরা আসছে,,,
মাথায় একটা বুদ্ধি আসল,,,
ক্লাস শেষ সবাই বেরিয়ে যেতে লাগলো,,,
তখুনি মিরার হাত টান দিয়ে সাইডে নিয়ে আসলাম,,,
রুমের ভিতরে কেউ নেই,,,
আমাকে ভিজিয়ে দেওয়া এবার প্রতিশোধ নিয়েই ছারবো,,,
বলেই একটা শয়তানি হাসি দিয়ে
মিরার দিকে এগোতে লাগলাম,,
এই আমার কাছে আসবি না বলে দিলাম,,,(মিরা))
কে শুনে কার কথা,,,
মিরা পিছাতে পিছাতে দেওয়ালের কাছে চলে গেলো৷
এবার কোথায় যাবে,,,
আমি কিন্তু এইবার চিল্লায় মানুষ ডাকব((মিরা))
তাই নাকি দেখি ডাক দেও,,,
মিরা কেবল চিল্লাতে যাবে তাতেই ওর ঠোঁটের সাথে ঠোঁট লাগিয়ে দিলাম,,,
মিরার চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,
আর আমি ওর ঠোঁটের সাদ নিচ্ছি

মিরার চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে আছে,,
আর আমি ওর ঠোঁটের সাদ নিচ্ছি
তারপর মিরা আমাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়,,
ঠাস,ঠাস,,
দুইটা থাপ্পড় মেরে দিলো,,,
মাথাটা কেমন যেন ঝিমাচ্ছে,
ছিহ এতটা খারাপ ছেলে তুই,,, ((মিরা))
তারপর মিরা ক্লাস রুম থেকে বেরিয়ে যায়,,,
এভাবে কিস করাটা ঠিক হয় নি,,,,
দোষটা আমারি কাল সরি বলে দিতে হবে,,,
এদিকে মিরা ভাবছে,,
এভাবে ছেলেটাকে মারা ঠিক হয় নি। দোষতো আমারো ছিলো৷ কাল ওর থেকে মাফ চেয়ে নিতে হবে,,,
তারপর বাসায় আসলাম,,,
পরের দিন প্রাইভেট গেলাম,,
প্রাইভেটের সময় মিরা দরজার কাছে ঘুরাঘুরি করছিলো,,,
প্রাইভেট শেষে বেরিয়ে একটু দূরে আসলাম,,,
তখুনি পিছন থেকে কে জেনো ডাক দিলো,,,
পিছন ঘুরে দেখি মিরা,,,
আমি না শুনে হাটতেই লাগলাম,,,
মিরা আমাদের সামনে আসল,,,
এই তোকে ডাকছি শুনতে পাচ্ছিস না,,, ((মিরা))
কি বলতে চান বলুন,,
I am sorry, কাল ওভাবে মারাটা ঠিক হয় নি,,, ((মিরা))
আমিও দুংখিত না বুঝে কাজটা করে ফেললাম,,,
তাহলে ফ্রেন্ডস,,, ((মিরা))
হুম ফ্রেন্ডস,,,,
আমি ইমন,এই হলো জয় আর শাহারিয়া,,,
মিরা,,, আচ্ছা বায় কলেজে দেখা হবে,,,((মিরা))
মিরা চলে গেলো,,,
বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে হালকা খাওয়া করে
কলেজে গেলাম,,
মিরা একটু পর আসল,,,
ক্লাস করবে না ((মিরা))
না ইচ্ছে নেই,,,
কেন, চলো ক্লাস করবো,,, ((মিরা))।
ধুর ক্লাস করতে ভালো লাগে না,, আর তুমিও তো আগে ক্লাস করতা না
কারন আমি তখন বাইরে ছিলাম, তাই ক্লাস করতাম না,,, কিন্তু এখন তো বাসায় আছি তাই ক্লাস করি ((মিরা))
আচ্ছা যাও ক্লাস করে আস
থাপ্পড় মেরে দাত ফেলায় দিবো।। তারাতাড়ি চল,, ((মিরা))
মিরা হাত ধরে ক্লাসের দিকে নিয়ে গেলো,,,
ওই তোরাও আয়,, (জয় আর শাহারিয়াকে বললো)
তারপর ক্লাসে গিয়ে নিজের পাশে বসিয়ে নিলো, ,
জয় আর শাহারিয়া আমাদের পিছনে,,,
কিছুক্ষন পর স্যার আসলেন,,,
আমাদের দিকে দেখতেই বললেন,,,
এই তোমরা তিনজন দারাও৷ ((স্যার))
আমরা দাঁড়িয়ে গেলাম,,,
কোন ইয়ার ((স্যার))
সেকেন্ড ইয়ার,,,
তোমাদের তো কোনদিন ক্লাসে দেখিনি,,, সারাদিন তো ক্যাম্পাস এ ঘুরাঘুরি করে বেরাও।এখন থেকে রেগুলার ক্লাস করবা ((স্যার))
জি স্যার অবশ্যই,,,
বসো ((স্যার))
তারপর ক্লাস করে বেরিয়ে আসলাম,,,
মিরার জন্য সব ক্লাস করতে হয়েছে,,,
ক্লাসের সময় কোনো কথা বলতে দেয় নি
নিজে স্যারের দিকে ভাবে তাকিয়ে আছে,,,
কিন্তু আমার বসে থাকতে একদম ভালো লাগছিলো না,,, তাই মিরার দিকে তাকিয়ে ক্লাস পার করে দিলাম,,,
ক্লাস শেষে সবাই বাসার দিকে রওনা দিলাম,,,
এই শুনো ((মিরা))
হুম,,,
তোমার নাম্বার টা দাও ((মিরা))
013151562–,,,
আচ্ছা বায়, , ((মিরা))
মিরা চলে গেলো,,,
বাসায় এসে খেয়ে ঘুম দিলাম,,,
বিকেলে বের হয়ে জয় আর শাহারিয়ার সাথে ঘুরাঘুরি করে বাসায় আসলাম,,,,
রাতে খেয়ে শুয়ে গেম খেলছি,,,
তখুনি ফোন আসল,,,
আননোন নাম্বার,,,
হ্যালো,,
কি করো((ওপাশ থেকে))
কে বলছেন,,
মিরা,,, (ওপাশ থেকে))
শুয়ে আছি,, তুমি,,
আমিও,, ((মিরা)
তারপর মিরার সাথে কথা বলে ঘুমিয়ে পড়লাম,,,
পরেরদিন প্রাইভেট ছিলো না তাই একবারে কলেজে গেলাম,,,
কলেজে বসে একটু মজা নিচ্ছি তখুনি মিরা আসল,,,
এখানে কি হচ্ছে ((মিরা))
একটু মজা করছিলাম,,,
এটাকে মজা না টিজ করা বলে (মিরা)
ওই হলো আর কি,,
ক্লাসে যাবো চলো,,, (মিরা))
যাও যাচ্ছি,
এক্ষুনি আস,, ((মিরা))
মিরা হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেলো,,,
এভাবে চলতে থাকলো,,,
মিরার গুন্ডি সভাবের জন্য কিছু করতে পারি না সব সময় ভয় দেখায়,,,
কিছু বলতে গেলেই ধমকে থামিয়ে দেয়,,,
আজ মিরা কলেজ আসবে কাল রাতে ফোন করে বলেছিলো,,,
তাই আজ কলেজে একটু শান্তিতে আছি,,,
কলেজের মধ্যে ঘুরাঘুরি করতিছি,,,
তখুনি একটা মেয়ের দিকে চোখ গেলো,,
দেখতে ভালোই আছে,,,
হয়তো ফাস্ট ইয়ারে পড়ে নতুন আসছে,,,
আমি জয় আর শাহারিয়া মেয়েটার কাছে গেলাম,,,
এই যে শুনছেন,,
জি বলুন,, (মেয়েটি))
একটু কথা বলা যাবে,,,
কি বলতে চান বলুন,,, কিন্তু আমার ক্লাস আছে তাই তারাতাড়ি বলুন,,, ((মেয়েটি))
আচ্ছা চলুন আপনার ক্লাসের দিকে যেতে যেতে কথা বলা যাক,,,
দুজনে হাটতে লাগলাম,,,
আপনার নামটা,,
মাইশা আপনার ((মেয়েটি))
ইমন,,,
দুজনে কথা বলতে বলতে হাটতিছি তখুনি পিছন থেকে কে জেনো কলার টেনে ধরলো,,,
পিছনে তাকিয়ে দেখি মিরা
ঠাস,ঠাস,,
লুইচ্চামি বাদ দিবি না তুই,, (মিরা)
তুই বেশি বেশি করছি মিরা,,
কি বললি তুই,, ((মিরা))

লুইচ্চামি বাদ দিবি না তুই,, (মিরা)
তুই বেশি বেশি করছি মিরা,,
কি বললি তুই,, ((মিরা))
যা বলছি ঠিকি বলছি,, তুই সবসময় প্যারা দিস।।
আমি তোকে প্যারা দেই,, ((মিরা))
তোর সাথে ঝগড়া করার কোনো ইচ্ছে নেই আমার থাক তুই,,
বলেই চলে আসলাম,,
মিরা আমাকে ডাকতে লাগলো,,,
কিন্তু ওর কোনো কথা না শুনে চলে আসলাম,,,
রাতে ফোন দিলো কিন্তু ফোনটা কেটে দিয়ে ব্লাক করে দিলাম,,,
ফেসবুক আইডিতেও ওর আইডি ইগনোর মেরে দিলাম,,,
পরের দিন প্রাইভেট গেলাম,,
প্রাইভেট শেষে দেখি মিরা বাইরে দাঁড়িয়ে আছে,,
ওকে না দেখার ভান করে চলে আসলাম,,,
কি রে তুই সেদিনের পর থেকে মিরার সাথে কথা বলিস না কেন,,, (জয়)
ইচ্ছা করে না তাই বলি না ওর ভাব ভালো লাগে না।। নিজেকে যে কি মনে করে ও
তুই নাকি ওর নাম্বার ব্লক মেরে দিছিস ((শাহারিয়া))
তোকে কে বললো
ওই কাল এফবিতে বললো,,,।
আর মেসেজ এর রিপ্লেও দিস না ((শাহারিয়া)
ইগনোর মাইরা দিছি,
ভালো চল,,, (জয়))
এরপর থেকে মিরার সাথে কথা বলি না প্রাইভেট শেষে তারাতাড়ি বেরিয়ে আসি,,,
আর কলেজে গেলে ও কথা বলতে আসলে ওখান থেকে চলে আসি,,,
এভাবে দশ দিন পার হয়ে গেলো,,
আজ প্রাইভেট সময়ে পৌছে গেলাম,,,
কিন্তু গিয়ে দেখি কেউ নেই,,,
জয়কে ফোন দিলাম,,,
কই তোরা
আমরা তো স্যারের বাসার পাশের চায়ের দোকানে তোর জন্য বসে আছি,, তুই কই((জয়))
আমি স্যারের বাসায় প্রাইভেট আসবি না,,
আজ পরাবে না,, তুই এখানে চলে আয় ((জয়)
আচ্ছা দারা,,
ফোনটা কেটে দিয়ে বাইরে আসতে যাব,,,
তখুনি পিছন থেকে কে জেনো টেনে ধরলো,,
পিছনে তাকিয়ে দেখি মিরা,,,
কি করছেন হাত ছাড়ুন,,,
মিরা কিছু না বলে হাত ধরে টানতে টানতে ওর ঘরে নিয়ে গেলো,,,
কি করছেন এসব,,
মিরা দরজা লাগিয়ে দিলো,,,
কি হইছে তোর ভাব বেড়ে গেছে নাকি, , ((মিরা))
ভাব আমার বাড়ে নি,, এখন যেতে দিন,,
যেতে দিবো না কি করবী,, (মিরা)
মিরার চোখের দিকে তাকালাম,,,
চোখ দিয়ে আগুন জ্বালছে মনে হয় ,
তুমি কি কিছুই বুঝো না ((মিরা))
কি বুঝবো,,
দারা দেখাচ্ছি কি বুঝাতে,,,
মিরা আমার কলার পিছাতে লাগলো,,
একসময় দেয়ালের সাথে ধাক্কা খেলাম,,
মিরা আমার কাছাকাছি চলে আসলো,,
কি করছো টা কি,,,
দেখতেই পাবে,,,(মিরা)
মিরা মুখের কাছে এসে আমার ঠোঁটের সাথে ঠোঁট লাগিয়ে দিলো ,,
পাচ মিনিট পর ছেরে দিলো,,,
তারপর আমাকে জড়িয়ে ধরলো,,,
আমি তোমাকে ভালোবাসি,, I love you ((মিরা))
কিন্তু আমি তো তোমাকে ভালোবাসি না,,
মিরা আমাকে ছেড়ে দিয়ে আমার কলারটা ধরলো,,,
কি বললি আবার বল (মিরা))
যেটা সত্যি সেটাই বললাম,,,
মিরা আমার কলার ছেরে দিলো,,,,
জোড় করে সব পাওয়া যায় কিন্তু ভালোবাসা পাওয়া যায় না।। সরি তোমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য তুমি যেতো পারো
বলেই মিরা চলে যেতে লাগলো,, আমি মিরার হাত ধরে বুকে টেনে নিলাম,,,
এত তারাতাড়ি ছাড়ার পাত্র নই,,,
মিরা আমার চোখের দিকে তাকিয়ে আছে
চোখে জল টলমল করছে,,,
আমি যে তোমাকে অনেক আগে থেকেই ভালোবাসি,, তুমি আমাকে ভালোবাস কি না সেটা দে খার জন্যই এই নাটক করছিলাম,,,
মিরা আমার কথা শুনে রেগে গেলো,,,
আজ তোকে মেরেই ফেলবো কুত্তা,,, লুইচ্চা ,, (মিরা)
মিরা ছটফট করতে লাগলো,,
আমি ওকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম,,
তারপর মিরার ঠোঁটের সাথে ঠোঁট এক করে দিলাম,,,
কিছুক্ষন পর ছেরে দিলাম,,,
কোনদিন ছেরে যাবে না তো (মিরা))
মৃত্যু আলাদা না করা পর্যন্ত একে অপরের থাকব,,,
পাচ
বছর পর,,,
ইমন পড়ালেখা শেষ করে বাবার ব্যাবসা জয়েন করে,,,
আগে থেকেই তাদের বাসায় তার আর মিরার কথা বলে রাখে,,,
কিছুদিন পর তাদের বিয়ে হয়,৷
এভাবেই দুষ্টু মিষ্টি ঝগড়ার মধ্যে দিয়ে চলে যায় তাদের জীবনটা